Advertisement
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাঁথিয়ায় পুর্ব শত্রুতার জেরে পুলিশ সদস্যের নেতৃত্বে বিএনপি নেতার বাড়িঘর ভাঙ্গচুর ও বাড়ীতে অবস্থানরত মহিলাদের মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী ও অনুসারীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে সাঁথিয়া উপজেলাধীন কাশিনাথপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত ক্ষুদ্র গোপালপুর গ্রামে। এবিষয়ে আট জনকে নামিক ও ৬-৭ জন কে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করে সাঁথিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন।
জানা যায়, ক্ষুদ্র গোপালপুর গ্রামের নির্মাণাধীন মসজিদের ইলেকট্রিক লাইনের কাজ নিয়ে ২৩শে আগষ্ট (শনিবার) ঝামেলা সৃষ্টি হয় ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর ও একই গ্রামের বাবু ও ইকবাল দের মধ্যে। এঘটনায় ঐদিন সাঁথিয়া থানায় জিডি করেন জাহাঙ্গীর হোসেন এবং সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ করেন বাবু - ইকবাল 'রা। পরের দিন ২৪শে আগষ্ট (রবিবার) সকালে সেনাক্যাম্প থেকে সেনাসদস্য'রা গিয়ে মিমাংসা করার কথা বললেও তাদের কথা অগ্রাহ্য করে সন্ধা ৬ টার দিকে জাহাঙ্গীরের বাড়ীতে দেশীয় অস্ত্র সহ অনধিকার প্রবেশ করে বাড়ীঘর ভাঙ্গচুর ও বাড়ীতে থাকা মহিলাদের মারধর ও নির্যাতন করে পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বাবু- ইকবাল বাহিনী। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম বগুড়া জেলার ধুনট থানায় কর্মরত (ছুঁটিতে আছেন)।
ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার বাড়ীতে হামলা চালায়। আমি বাড়িতে না থাকায় প্রাণে বেঁচে গেছি। তারা আমাকে না পেয়ে আমার বাড়িঘর ভাঙ্গচুর ও আমার মা ও ভাবীকে মারধর করেছে।বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। স্বৈরাচার পতনের পরও আওয়ামীলীগের লোকজনের এমন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কাশিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বগুড়া ধুনট থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যের এমন কর্মকাণ্ড বিষয়ে উক্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আমার থানার পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম ছুঁটিতে আছে। তিনি যদি ঐ এলাকায় কোন অপরাধ করে থাকে সেখানকার থানা পুলিশ ব্যবস্থা নিবে।